1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
বোয়ালমারীতে সবজির বাজারে চরম অস্থিরতা - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়ায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত, সচেতনতায় র‍্যালি চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: মাহ্দী আমিন পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদরাসা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: রফিক-আশরাফুলের উপস্থিতিতে জমকালো উদ্বোধন জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান: জাপানের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা রপ্তানির চাপে কারখানা, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবিকা শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ দিন আজ আজ থেকে কিংস অ্যারেনা ও আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমবে লড়াই পাঁচ হাজার নারীকে স্বাবলম্বী করেছেন লিপি, পাশে থাকার আশ্বাস ডিসির

বোয়ালমারীতে সবজির বাজারে চরম অস্থিরতা

নড়াইলের কাগজ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২৭ বার পঠিত

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের সবজির দাম হু হু করে বেড়ে গেছে। প্রতিকেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

সোমবার (২৫ আগস্ট) উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে উচ্চমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই আগের মতো পরিমাণে কিনতে পারছেন না, কেউ কেউ আবার খালি হাতে বাজার থেকে ফিরছেন।

দাম তালিকা (খুচরা বাজারে)

  • আলু: ২৫ টাকা কেজি
  • পুঁইশাক: আঁটি ৩০–৪০ টাকা
  • পটল: ৫০–৭০ টাকা
  • বেগুন: ৮০ টাকা
  • করলা: ৮০–১০০ টাকা
  • লাউ: ৫০–৬০ টাকা
  • কাঁচা কলা: ৩০–৪০ টাকা
  • পেঁপে: ৩০ টাকা
  • আমড়া: ৩০–৩৫ টাকা

সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম—এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৪০–১৬০ টাকা, এখন কেজি ২০০ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজ ৮০ টাকা, রসুন ১০০ টাকা, শুকনা মরিচ ৩৫০ টাকা ও টমেটো ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে খুচরার তুলনায় প্রতিকেজিতে ১০–১৫ টাকা কম দামে এসব পাওয়া যাচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, টানা বৃষ্টির কারণে ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। উৎপাদন ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে।  বিক্রেতা আলম বলেন, “এলাকায় সবজি কম আসছে, পাইকারি বাজারেও সংকট। তাই আমরা বেশি দামে কিনে আনতে বাধ্য হচ্ছি।”

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। গৃহবধূ কাকালীর অভিযোগ—“আগের মতো বাজার করা আর সম্ভব হচ্ছে না। এখন এক-দুই রকম সবজি নিয়েই ফিরতে হচ্ছে।”

স্কুলশিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, “আগে এক কেজি করে কিনতাম, এখন অর্ধেক নিতে হচ্ছে। আয় বাড়েনি, তাই কম কিনে খরচ সামলাতে হচ্ছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park