1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
ই-অরেঞ্জের সিইও আমান উল্লাহ দুই দিনের রিমান্ডে - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়ায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত, সচেতনতায় র‍্যালি চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: মাহ্দী আমিন পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদরাসা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: রফিক-আশরাফুলের উপস্থিতিতে জমকালো উদ্বোধন জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান: জাপানের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা রপ্তানির চাপে কারখানা, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবিকা শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ দিন আজ আজ থেকে কিংস অ্যারেনা ও আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমবে লড়াই পাঁচ হাজার নারীকে স্বাবলম্বী করেছেন লিপি, পাশে থাকার আশ্বাস ডিসির

ই-অরেঞ্জের সিইও আমান উল্লাহ দুই দিনের রিমান্ডে

নড়াইলের কাগজ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৯ জুন, ২০২৫
  • ৯৮ বার পঠিত

গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ই-অরেঞ্জ’-এর অন্যতম প্রধান হোতা ও সিইও আমান উল্লাহ চৌধুরীর দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার (২৮ জুন) দুপুরে রাজধানীর বিমানবন্দর থানার একটি হত্যা মামলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়া উদ্দিন আহমেদ এই আদেশ দেন।

বিমানবন্দর থানার এসআই মাজেদুল ইসলাম আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত আমান উল্লাহ চৌধুরীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, শুক্রবার বিকালে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বিদেশ যাওয়ার পথে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর থানার ওসি তাসলিমা বলেন, ‘আমান উল্লাহকে বিমানবন্দর এলাকা থেকে শুক্রবার বিকালে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা রয়েছে। তিনি সেই মামলার আসামি।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর আগে এই আমান আল্লাহকে প্রতারণার মামলায় ২০২১ সালে ১৮ আগস্ট গুলশান থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। তখন ই-অরেঞ্জের মালিক গুলশান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা ভারতে পালিয়ে যায়। সোহেল রানার বোন সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানসহ ৫ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল আদালত। সেই সময় এই সোনিয়া মেহজাবিন ও মাসুকুর রহমানের বিরুদ্ধে ই কমার্সের নামে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ই-অরেঞ্জের ‘প্রতারণার শিকার’ মো. তাহেরুল ইসলাম নামের এক গ্রাহক বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে আদালত কারাগারে পাঠায়। সেই মামলারও আসামি এই আমান উল্লাহ।

সূত্র জানায়, ই-অরেঞ্জ নামের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের হাজার হাজার গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা করে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেন আমান উল্লাহ চৌধুরী। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মোট ৫৪টি মামলা দেশের বিভিন্ন থানায় দায়ের করা হয়েছে। তিনি একাধিকবার জেল খেটেছেন, পরে জামিনে মুক্ত হয়ে পলাতক ছিলেন। গণঅভ্যুত্থানকালীন সময় থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির বাইরে চলে যান।

বিশ্বস্ত সূত্রগুলো জানিয়েছে, আমান উল্লাহ শুধু প্রতারণা চক্রের নেতা নন, তিনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা এবং সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠজন হিসেবেও পরিচিত। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন তিনি ঢাকা মহানগর ও জেলা আওয়ামী যুবলীগ এবং আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা-কর্মীদের অর্থায়ন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, তিনি তার এ্যালিফ্যান্ট রোডের অফিসে ‘শেখ হাসিনাতেই আস্থা’ নামের একটি প্রচার সেল গঠন করেন, যেখানে সরকারের ঘনিষ্ঠ একদল আইটি অফিসার ২৪ ঘণ্টা আন্দোলনবিরোধী প্রচার-প্রচারণায় নিয়োজিত ছিলেন। এ ছাড়াও তিনি আন্দোলনের বিরুদ্ধে অনলাইন প্রপাগান্ডা পরিচালনা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে জনমত প্রভাবিত করেন।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park