
সুসাংবাদিকতার (সাংবাদিকতার নীতিমালা) প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
### ১. **সত্যতা ও নির্ভুলতা (Accuracy)**
– সঠিক ও যাচাইকৃত তথ্য প্রদান করা।
– গুজব বা অপ্রমাণিত খবর এড়িয়ে চলা।
### ২. **নিরপেক্ষতা ও ভারসাম্য (Impartiality & Balance)**
– পক্ষপাতহীনভাবে সংবাদ পরিবেশন করা।
– সকল পক্ষের বক্তব্য উপস্থাপন করা।
### ৩. **নিষ্ঠা ও নৈতিকতা (Integrity & Ethics)**
– স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং স্বার্থের দ্বন্দ্ব এড়ানো।
– সূত্রের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
### ৪. **জনস্বার্থ (Public Interest)**
– সমাজের কল্যাণে তথ্য প্রকাশ করা।
– দুর্নীতি, অনিয়ম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।
### ৫. **দায়িত্বশীলতা (Accountability)**
– ভুল হলে তা স্বীকার ও সংশোধন করা।
– পাঠক/দর্শকের কাছে জবাবদিহি করা।
### ৬. **স্বাধীনতা (Independence)**
– রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা অন্য কোনো চাপে প্রভাবিত না হওয়া।
### ৭. **স্পষ্টতা ও সরলতা (Clarity & Simplicity)**
– জটিল বিষয় সহজ ভাষায় উপস্থাপন করা।
– বিভ্রান্তি বা অস্পষ্টতা এড়ানো।
### ৮. **সময়োপযোগিতা (Timeliness)**
– প্রাসঙ্গিক ও সময়মতো সংবাদ দেওয়া।
### ৯. **সাহসিকতা (Courage)**
– ক্ষমতাধর ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো।
### ১০. **মানবিকতা (Humanity)**
– সংবাদের মানবিক দিক বিবেচনা করা, বিশেষ করে দুর্ঘটনা বা বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে।
সুসাংবাদিকতা গণতন্ত্রের স্তম্ভ হিসেবে কাজ করে এবং একটি জবাবদিহিমূলক ও স্বচ্ছ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে।