1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
দিল্লিতে রণক্ষেত্র: বিক্ষোভের মুখে সংসদ ভবন ছাড়লেন মোদি - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

দিল্লিতে রণক্ষেত্র: বিক্ষোভের মুখে সংসদ ভবন ছাড়লেন মোদি

নড়াইলের কাগজ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ১২৪ বার পঠিত
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির সংসদ ভবন এলাকায় পুলিশ ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই এলাকার ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।
স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতেই বাইরে এই তুলকালাম কাণ্ড ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চারদিকের উত্তেজনার মুখে একপর্যায়ে কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কনভয়কে তড়িঘড়ি সংসদ ভবন ত্যাগ করে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়।
আজ সোমবার (২০ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইম বাংলার  এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
https://www.hindustantimes.com/bangla/news/chaos-erupts-over-cjp-rally-pm-modi-leaves-parliament-house-271784542115365.html
প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার সকাল থেকেই সংসদ চত্বরের আশপাশে লোহার ব্যারিকেড বসিয়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল দিল্লি পুলিশ। তবে সেই সব ব্যারিকেড উপড়ে ফেলে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে প্রথম দফার ধস্তাধস্তিতে কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশকর্মী আহত হন। এরপরই আন্দোলনের আগুন মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে মধ্য দিল্লির কনট প্লেস, শাস্ত্রীয় ভবন, রেল ভবন, কনস্টিটিউশন ক্লাব এবং রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সামনের ভিআইপি এলাকাগুলোতে। প্রতিটি পয়েন্টেই উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীকে উপর্যুপরি কাঁদানে গ্যাসের শেল ব্যবহার করতে দেখা যায়। বিশেষ করে রেল ভবনের সামনে দীর্ঘক্ষণ রক্তক্ষয়ী উত্তেজনা চলার পর অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করে মিছিলের অগ্রগতি আটকে দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে সংসদের দক্ষিণ দিকের প্রধান যানবাহন প্রবেশপথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এর জেরে মধ্য দিল্লির একাধিক রাস্তায় মাইলের পর মাইল তীব্র যানজট তৈরি হয়। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জনপথ, রাজীব চক, পটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবাতীর্থ—এই পাঁচটি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে লাখো সাধারণ যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। মাণ্ডি হাউসসহ কয়েকটি মেট্রো স্টেশনের ভেতরে ও বাইরে বিক্ষোভকারীদের সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দিতে দেখা যায়।
দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, জন্তর মন্তর, সংসদ চত্বর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনের নিরাপত্তায় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) মোতায়েন রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই বিতর্কিত কর্মসূচির জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। তা ছাড়া সংসদ ভবনের আশপাশে বর্তমানে ১৬৩ ধারা বলবৎ থাকায় নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি মানুষের জমায়েতের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অনুমতি ছাড়া কোনো মিছিল বা সমাবেশ করার সুযোগ নেই এবং নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের দাবি, তারা কর্মসূচির বিষয়ে পুলিশকে অনেক আগেই লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন। প্রশাসনই গায়ের জোরে এই কর্মসূচি বন্ধ করার চেষ্টা করছে। বিক্ষোভস্থলের আশপাশে মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন সিজেপি সমর্থকেরা।
চরম উত্তেজনার মধ্যেই সিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, কেন্দ্রীয় সরকার তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে; যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park