1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৩২ - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়ায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত, সচেতনতায় র‍্যালি চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: মাহ্দী আমিন পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদরাসা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: রফিক-আশরাফুলের উপস্থিতিতে জমকালো উদ্বোধন জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান: জাপানের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা রপ্তানির চাপে কারখানা, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবিকা শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ দিন আজ আজ থেকে কিংস অ্যারেনা ও আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমবে লড়াই পাঁচ হাজার নারীকে স্বাবলম্বী করেছেন লিপি, পাশে থাকার আশ্বাস ডিসির

থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৩২

নড়াইলের কাগজ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫
  • ৬৯ বার পঠিত

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশি রাষ্ট্র থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান সীমান্ত সংঘর্ষ ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। নতুন করে আরো ১২ জন নিহত হয়েছেন। ফলে উভয় পক্ষের সম্মিলিত প্রাণহানির সংখ্যা ৩২ জনে পৌঁছেছে। খবর আল জাজিরার।

শনিবার (২৬ জুলাই) কম্বোডিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মালি সোচেতা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মালি সোচেতা জানান, সংঘর্ষে আরো সাতজন বেসামরিক নাগরিক ও পাঁচজন সেনা নিহত হয়েছেন। এছাড়া বৃহস্পতিবার থাই রকেট হামলায় এক বৌদ্ধ মন্দিরে আশ্রয় নেয়া কম্বোডিয়ান নাগরিক নিহত হন বলে আগে জানানো হয়েছিল।

তিনি আরো জানান, সংঘর্ষে কমপক্ষে ৫০ জন বেসামরিক নাগরিক ও ২০ জনের বেশি সেনা আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে থাইল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত দুই দিনে কম্বোডিয়ার হামলায় ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক ও ছয়জন সেনা নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ২৯ জন থাই সেনা ও ৩০ জন বেসামরিক নাগরিক।

কম্বোডিয়ার প্রেয়াহ ভিহেয়ার প্রদেশ থেকে প্রায় ২০,০০০ বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম। অন্যদিকে, থাই কর্তৃপক্ষের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো থেকে এক লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে। পাশাপাশি শুক্রবার থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী ৮টি জেলায় সামরিক আইন জারি করেছে।

সংঘর্ষের মধ্যে শুক্রবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন। কম্বোডিয়া ওই প্রস্তাবে সম্মত হলেও অভিযোগ করেছে, থাইল্যান্ড শুরুতে সম্মতি দিলেও পরে পিছু হটে গেছে।

থাইল্যান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা “নীতিগতভাবে যুদ্ধবিরতির পক্ষে” থাকলেও মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় আরও সময় চাচ্ছে।

দুই দেশের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুধু সীমান্ত পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নেই, বরং গোটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থিতিশীলতা নিয়ে শঙ্কা তৈরি করছে। আঞ্চলিক জোট আসিয়ান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উভয় দেশকে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি যদি নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তাহলে তা ধীরে ধীরে বৃহৎ আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যা শুধু রাজনৈতিক নয়, মানবিক সংকটও তৈরি করবে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park