1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
হারিয়ে যাওয়া দেশীয় খাবার ফিরছে রান্নাঘরে
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়ায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত, সচেতনতায় র‍্যালি চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: মাহ্দী আমিন পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদরাসা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: রফিক-আশরাফুলের উপস্থিতিতে জমকালো উদ্বোধন জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান: জাপানের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা রপ্তানির চাপে কারখানা, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবিকা শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ দিন আজ আজ থেকে কিংস অ্যারেনা ও আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমবে লড়াই পাঁচ হাজার নারীকে স্বাবলম্বী করেছেন লিপি, পাশে থাকার আশ্বাস ডিসির

হারিয়ে যাওয়া দেশীয় খাবার ফিরছে রান্নাঘরে

নড়াইলের কাগজ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৯৮ বার পঠিত
একসময় গ্রামবাংলার দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের পরিচিত খাবার ছিল কলার মোচা ও কলার থোড়। সহজলভ্য ও কম দামের কারণে অনেক পরিবারেই নিয়মিত রান্না হতো এ সব সবজি। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ফাস্টফুড, প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের দাপটে ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যায় পুষ্টিকর এ দেশীয় খাবার।
অনেকেই আবার কলার মোচা ও থোড়কে অপ্রয়োজনীয় অংশ মনে করে ফেলে দিতেন। অথচ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এ সব খাবার এখন নতুন করে জায়গা করে নিচ্ছে মানুষের খাদ্য তালিকায়। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসচেতন ও শৌখিন ভোজনরসিকদের মধ্যে কলার মোচা ও থোড়ের চাহিদা বাড়ছে।
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিয়মিত বিক্রি হচ্ছে কলার মোচা ও থোড়। স্থানীয় সবজি বিক্রেতাদের দোকানে অন্যান্য সবজির পাশাপাশি বেশ গুরুত্ব দিয়েই রাখা হচ্ছে এ সব দেশীয় খাবার। আকার ও মানভেদে প্রতি পিস কলার মোচা ও থোড় বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০-৪০ টাকায়। ফলে স্বল্প আয়ের মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ক্রেতারাও সহজেই কিনতে পারছেন।
বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, ছোটবেলায় বাড়িতে কলার মোচা ও থোড়ের বিভিন্ন পদ খাওয়ার অভ্যাস ছিল। সময়ের সঙ্গে এ সব খাবার অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছিল। এখন বাজারে সহজে পাওয়া যাওয়ায় আবারও রান্নাঘরে ফিরছে পুরোনো দিনের এ খাবার।
কলার মোচা দিয়ে ভর্তা, ভাজি, তরকারি কিংবা বিভিন্ন মাছ-মাংসের সঙ্গে রান্না করা যায়। অন্যদিকে কলার থোড় দিয়েও তৈরি হয় সুস্বাদু নানা পদ। স্বাদে আলাদা এবং রান্নায় বৈচিত্র্য থাকায় অনেকেই এখন এ সব খাবারের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
পুষ্টিবিদদের মতে, দেশীয় শাকসবজি ও উদ্ভিদজ খাবার খাদ্য তালিকায় রাখা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কলার মোচা ও থোড়ও আমাদের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য সংস্কৃতির অংশ। আধুনিক ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মৌসুমি ও দেশীয় সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
সবজি বিক্রেতারা বলছেন, আগে কলার মোচা ও থোড়ের চাহিদা তুলনামূলক কম ছিল। এখন অনেক ক্রেতাই নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী এ সব কিনছেন। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ ও স্বাস্থ্যসচেতন ক্রেতাদের মধ্যে এর চাহিদা চোখে পড়ার মতো।
কৃষি ও গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে থাকা কলার মোচা ও থোড় শুধু খাবার নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্যবাহী খাদ্যসংস্কৃতিরও অংশ। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা এ দেশীয় খাবার আবারও বাজারে ফিরছে—এ যেন পুরোনো স্বাদের নতুন করে ফিরে আসার গল্প।
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park