1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
ভেদরগঞ্জে বাবা-ছেলেকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

ভেদরগঞ্জে বাবা-ছেলেকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯৩ বার পঠিত

 

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে বাবা ও ছেলেকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের কার্তিকপুর (মধুপুর) গ্রামের একটি সেতুর ওপর গত শনিবার এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন—ওই গ্রামের মোসলেম উদ্দিন খান (৬৮) ও তার ছেলে মো. রিয়াদ খান। এ ঘটনায় রিয়াদ খান আল আমিন শেখ, নিজাম শেখ, সুমন শেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে ভেদরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করছে পুলিশ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তদের ভাগ্নি নওশিনের সঙ্গে রিয়াদ খানের বিয়ে হয়েছিল। পরে তালাকের মাধ্যমে তাদের দাম্পত্য সম্পর্কের বিচ্ছেদ হয়। তাঁদের এক সন্তান রয়েছে। সামাজিকভাবে সালিশের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়, সন্তান মায়ের কাছে থাকবে এবং রিয়াদ প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে সন্তানের ভরণপোষণ দেবেন।

রিয়াদের অভিযোগ, সন্তানের মায়ের পক্ষ থেকে তিন বছরের ভরণপোষণের টাকা একসঙ্গে দাবি করা হলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এর জের ধরে গত ১৯ সেপ্টেম্বর কার্তিকপুর-মধুপুর গ্রামের একটি সেতুর ওপর তাঁর বাবা মোসলেম উদ্দিনের ওপর হামলা চালানো হয়।

অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা লোহার রড দিয়ে মোসলেম উদ্দিনের মাথার পেছনে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করেন। খবর পেয়ে রিয়াদ ঘটনাস্থলে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

রিয়াদ খান বলেন, থানায় অভিযোগ করার পর তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্তদের চাচা পরিচয়ে আবুল শেখ বলেন, রিয়াদ ও নওশিনের তালাক গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে হয়েছে। সালিশে সন্তান নওশিনের কাছে থাকবে এবং রিয়াদ মাসে ৫ হাজার টাকা ভরণপোষণ দেবেন—এমন সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু চার মাস ধরে রিয়াদ কোনো টাকা দেননি। এ নিয়ে আবার সালিশ বসানো হলেও রিয়াদের পরিবারের কেউ সেখানে উপস্থিত হননি। পরে তাঁকে ডেকে নেওয়া হয়। রিয়াদ সেখানে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতি হয়।

ভেদরগঞ্জ থানার ওসি আবুল বাশার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

NK24

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park