
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা ভোটকেন্দ্রে অবাধভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।
তিনি বলেন, পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা কেন্দ্রের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন এবং মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ভোট গ্রহণ কক্ষের ভেতরে কোনো ছবি তোলার অনুমতি থাকবে না।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে ব্রিফিং অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইসি কমিশনার জানান, গত বছরের নির্দেশনার আওতায় পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ভোটারদের জন্য ক্যামেরা ও মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
পোস্টাল ব্যালট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে প্রথমবারের মতো প্রবাসী ও কারাবন্দিদের জন্য এই পদ্ধতিতে ভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সরকারের ঘোষণার আলোকে সব শ্রেণির মানুষকে ভোটের আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পর সংবিধান অনুযায়ী একটি পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে ৩০০ আসনে সরাসরি ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। পাশাপাশি সংরক্ষিত নারী আসনে ৫০ জন সদস্য মনোনীত হবেন।
প্রার্থীদের ব্যয়ের বিষয়ে তিনি জানান, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নির্বাচনী ব্যয় করতে পারবেন। এছাড়া ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে অতিরিক্ত ব্যয়ের সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
এবার প্রায় ১০ হাজার সাংবাদিক নির্বাচন কাভার করবেন বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার পর এবার জনগণের মধ্যে ভোট দেওয়ার আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি নির্বাচনের পর গঠিত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। তবে উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রত্যাশা রয়েছে।