1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
তাড়াশে কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

তাড়াশে কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন

নড়াইলের কাগজ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৭ বার পঠিত
চলনবিল অধ্যাসিতু সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। 
শুক্রবার রাত থেকে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকছে উপজেলার সড়ক ও জনপথ। তীব্র শীতের কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় বিলপাড়ের মানুষের জন্য টিকে থাকার আরও কঠিন এক লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) আবহাওয়া অফিস জানায়, এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ। ঘন কুয়াশার কারণে ভোর থেকে উপজেলা সদরসহ হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কে যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
টানা কুয়াশা ও কনকনে শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষ। অনেকে সকালে কাজে যেতে পারছে না। শীত নিবারণের জন্য বিভিন্ন স্থানে মানুষকে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।
তাড়াশ পৌরসভার বাসট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশাচালক আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। তারপরও সামনে ঠিকমতো দেখা যায় না। ঠান্ডার কারণে মানুষজন ঘর থেকে বের হচ্ছে না। তাই যাত্রীও কম।’
দিনমজুর ইব্রাহিম হোসেন বলেন, ‘সকালে কাজে বের হতে খুব কষ্ট হয়। এত ঠান্ডায় শরীর অবস হয়ে যায়। কাজ না করলে সংসার চলে না, আবার এ শীতে কাজ করাও কঠিন।’
এদিকে তাড়াশ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর ভিড় বেড়েছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
তাড়াশ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা: ইমরুল হাসান সায়েম বলেন, ‘হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালে শীতজনিত রোগের রোগীর চাপ বেড়েছে। শীতে প্রত্যেককে সতর্ক থেকে গরম কাপড় পরিধান করতে হবে। বিশেষ করে বাড়ির শিশু ও বৃদ্ধদের বাড়তি যত্ন নিতে হবে। ঠান্ডা ও বাসি খাবার পরিহার করতে হবে। শিশুদের ঠান্ডা রোগের উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।’
এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারগুলোতেও। তাড়াশ পৌর শহরের ফুটপাত থেকে শুরু করে মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণিবিতানে গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, টুপি ও শীতবস্ত্র কিনতে দেখা যাচ্ছে নানা বয়সি মানুষকে।’
তাড়াশ আবহাওয়া অফিস সুত্রে জানা যায়, আগামী কয়েকদিন শীত ও কুয়াশার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।’
তাড়াশ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু সাইদ মল্লিক  বলেন, ‘উপজেলায় সরকারিভাবে ১ হাজার ৬শত ৪৫টি  কম্বল বরাদ্দ হয়েছে। বেশ কিছু কম্বল শীতার্ত মানুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park