1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
অপরিনামদর্শী - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়ায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত, সচেতনতায় র‍্যালি চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: মাহ্দী আমিন পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদরাসা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: রফিক-আশরাফুলের উপস্থিতিতে জমকালো উদ্বোধন জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান: জাপানের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা রপ্তানির চাপে কারখানা, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবিকা শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ দিন আজ আজ থেকে কিংস অ্যারেনা ও আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমবে লড়াই পাঁচ হাজার নারীকে স্বাবলম্বী করেছেন লিপি, পাশে থাকার আশ্বাস ডিসির

অপরিনামদর্শী

কবি মিঠুয়ার রহমান
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৩৬ বার পঠিত

অপরিনামদর্শী
**************
মিঠুয়ার রহমান

এক গায়ে এক ছেলে ছিল রাজপুত্রের মত,
বাবা মায়ে করতো তারই ইচ্ছে পূরণ যত।
সকল কিছু পেয়ে যেত চাওয়ার সাথে সাথে,
বন্ধু বান্ধব অর্থ কড়ি থাকতো প্রচুর হাতে।

নিজের হাতে করতো না কাজ শেখেনি যে কিছু,
খাবার নিয়ে মা জননী ঘুরতো পিছু পিছু।
মুখে তুলে খাইয়ে দিতো যত্ন করে শত,
বাবা মায়ের আদর আল্লাদ চলতো অবিরত।

আয় রোজগার ছিলো কর্তার করতো না যে জমা,
ভাবেনি তো অর্থ কষ্ট করবেনা তাকে ক্ষমা।
পোশাক আশাক খাওয়া দাওয়া আত্মীয় স্বজন,
বেহিসাবি খরচ করতো কর্তা সারাক্ষণ।

বউটি ছিলো লক্ষ্মী ভারী বলতো সদা ডেকে,
ভবিষ্যতের জন্য কিছু জমিয়ে যাও রেখে।
জমি জমা ব্যাংক ব্যালান্স স্বর্ণ রাখো কিনে,
ছেলে মেয়ের কী হবে গো ? ভাবো তুমি বিনে।

ছেলেটাকে কাজ শেখাও লেখার পড়ার সাথে,
নিজের জীবন গড়তে পারে ভালো ভাবে যাতে।
এসব কথা শুনলে পরে স্বামীর জ্বলতো গা,
রেগে গিয়ে বলতো বউকে এখান থেকে যা।

এই ভাবেতে দিন গুলি বেশ যাচ্ছিলো যে কেটে,
বাজার থেকে আসছিলো সে বাড়ির দিকে হেঁটে।
হঠাৎ করে পথের মাঝে মাথা ঘুরে পড়ে,
নানান রকম সমস্যাতে মাথার ব্যামোয় ধরে।

কত শত জায়গায় যায় ডাক্তার কবিরাজ
ওষুধ পত্তি ঝাড় ফুঁকেও হয়না কোনো কাজ।
ব্রেইনে হলো রক্ত জমাট অবশ হাত পা,
চিকিৎসাতে চলে গেলো নগদ ছিলো যা।

এই ভাবেতে চলতে চলতে বছর হলো পার,
আমির থেকে ফকির হলো সোনার সংসার।
বাবা যে তার চলে গেলো সাধের ভূবন ছাড়ি,
সুখ শান্তি দিয়ে দিলো সংসারেতে আড়ি।

রাজপুত্র ঘোর বিপাকে মা বোনকে নিয়ে,
অনাহারে দিন কাটে তার চোঁখের জল দিয়ে।
উপায় হিনা হয়ে মায়ে অন্যের বাড়ি যায়,
কাজ কর্ম করে যদি কিছু খাবার পায়।

সোনার চামুচ মুখে দেয়া ছেলে কী আর করে?
লেখা পড়ার সাথে সাথে কাজ কর্ম ধরে।
মাঠের কাজে সকাল সাঁঝে নিয়ম করে যায়,
সকল কাজই করতে থাকে যখন যেটা পায়।

বছরের পর বছর কাটে অন্ন বস্ত্র হীন,
কষ্টে সৃষ্টে কোনো রকম কাটে তাদের দিন।
বোনটি যে তার চোঁখের সামনে হয়ে গেলো বড়,
মা জননী বললো বাবা পাত্র জোগাড় করো।

দিনের বেলা কাজ কর্ম রাতে লেখা পড়া,
বোনের বিয়ে মায়ের ওষুধ চোঁখে ছানাবড়া।
লেখা পড়া শিখে সে যে অনেক বড় হবে,
বেহিসাবী ভুলের মাশুল শোধ হবে যে তবে।

অকুতোভয় বীর সেনানীর দারুণ অধ্যাবসায়,
ফলাফলে বিধি তাকে উচ্চাসনে বসায়।
ভুলেও সে ভুল করেনা মাকাল ফলের মত,
হিয়ার মাঝে আঘাত করে বুকের জমা ক্ষত।

ভাবে বসে করবে না সে বেহিসাবী কাজ,
পরিমিত করবে জমা পণ করেছে আজ
কম বেশি কাজ করবে থাকবে না কেউ বসে,
প্রয়োজনে লাগবে কাজে হিসাব খানি কষে।

কর্ম গুণে সর্বজনের মনের মানুষ হও,
পরিমিত সঞ্চয়ে তাই শান্তি সুখে রও।
কঠোর পরিশ্রমই হলো সুখের চাবিকাঠি,
শোকর গোঁজার করলে হবে জীবন পরিপাটি।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park