
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের ইস্যুতে সর্বোচ্চ আদালতের রায় আসা না পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । তিনি বলেন, আশা করি, তারা উচ্চ আদালতে ন্যায় বিচার পাবে। তাদের হতাশ হওয়ার কারণ নেই। এসময় শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে বলেও জানান তিনি।
বুধবার (১৭জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, কিছু মহল কোটা আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক। অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্ট, তা আমার চেয়ে আর কেউ বেশি জানে না।
কোটা সংস্কার আন্দোলনে নিহত হওয়ার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছ প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু মহল কোটা আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক।
চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন গত সোমবার (১৬ জুলাই) বেশ সহিংস রূপ নেয়। এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে কোটাবিরোধীদের তুমুল সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের তিনশর মতো শিক্ষার্থী আহত হয়। বিশেষ করে গতকাল কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সারাদেশের পরিস্থিতি ছিল বেশি উত্তপ্ত। এরপর মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ছয়জন মারা যায়। আহত হয় কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।
এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় সারাদেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশনা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। একইসঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ও তাদের সব কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে।