1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
‘জিরো মিসিং অ্যাওয়ার্ড’ পেল বাঁশগ্রাম কলকাকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

‘জিরো মিসিং অ্যাওয়ার্ড’ পেল বাঁশগ্রাম কলকাকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কালিয়া, অফিস:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ১৮১ বার পঠিত

নড়াইল জেলার শিক্ষা ক্ষেত্রে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণে নেওয়া ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ‘জিরো মিসিং’-এর আওতায় প্রথমবারের মতো অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে কালিয়া উপজেলার বাঁশগ্রাম কলকাকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করার অসামান্য সাফল্যের জন্য বিদ্যালয়টিকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। বিদ্যালয়টিতে নির্ধারিত দিনে সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ায় এটি জেলার প্রথম “জিরো মিসিং অ্যাওয়ার্ড” প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়মুখী করা এবং ঝরে পড়া রোধে নড়াইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘জিরো মিসিং’ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতির তথ্য পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত হবে, সেই প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তারা অভিভাবকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন। ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ অর্জনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরাও এ সাফল্যকে শিক্ষা ক্ষেত্রে ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালাম বলেন,
শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘জিরো মিসিং’ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো কোনো শিক্ষার্থী যেন অকারণে বিদ্যালয় থেকে অনুপস্থিত না থাকে এবং সবাইকে শিক্ষার মূল ধারায় সম্পৃক্ত রাখা। বাঁশগ্রাম কলকাকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা জেলার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অনুকরণীয় হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি আরও বলেন,
একটি বিদ্যালয়ের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত হলে তাদের শিক্ষার ভিত্তি আরও মজবুত হবে এবং ভবিষ্যতে তারা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। আমরা চাই নড়াইলের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘জিরো মিসিং’ লক্ষ্যে পৌঁছাক এবং শতভাগ উপস্থিতির সংস্কৃতি গড়ে উঠুক।

এ অর্জনের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park