1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
পাল্টে যাচ্ছে নড়াইল সদর উপজেলার অফিস পাড়ার চিত্র - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

পাল্টে যাচ্ছে নড়াইল সদর উপজেলার অফিস পাড়ার চিত্র

আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৫ বার পঠিত

নড়াইল সদর উপজেলা খুলনা বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা, যার আয়তন ৩৮১.৭৫ বর্গকিলোমিটার। চিত্রা নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই উপজেলা ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। বহু গুণী মানুষের জন্মস্থান হিসেবে নড়াইলের পরিচিতি দীর্ঘদিনের চিত্রশিল্পী এস.এম. সুলতান, বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ, কবিয়াল বিজয় সরকার, মোসলেম বয়াতী, মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, কৃষক নেতা নুরজালাল, মুদাসসের মুন্সি, নীহার বালা সহ অসংখ্য কৃতিমান ব্যক্তিত্বর জন্ম এই ভূমিতে।

১৯৮৪ সালের ১ মার্চ নড়াইল মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত হওয়ার পর সদর উপজেলার অফিসপাড়া দীর্ঘদিন অব্যবস্থাপনা ও শোচনীয় অবস্থার মধ্যে ছিল। পুরাতন ভবনগুলোতে সংকুচিত অফিস কার্যক্রম পরিচালনা হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ ছিল না। তবে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) সদর উপজেলার অফিসপাড়ায় বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে

প্রধান ফটকে ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক গেট নির্মাণ

৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে আরসিসি রাস্তা নির্মাণ

৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক সীমানা প্রাচীর নির্মাণ

রবিবার (৩০ নভেম্বর) সদ্য যোগদানকৃত নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম এই চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

সেবা নিতে আসা :
মুলিয়া ইউনিয়নের পানতিতা গ্রামের সেবাগ্রহীতা সঞ্জয় বলেন—
“আগে উপজেলা অফিসে এলেই মনে হতো ভূতের বাড়ি। এখন পুরো এলাকা দেখলে মডেল উপজেলা মনে হয়।”

বয়স্ক ভাতার কাজে আসা ফজিলা বলেন—
“আগে কোথায় কোন অফিস বুঝতে কষ্ট হতো। কর্মকর্তারা বারান্দায় বসে কাজ করতেন—দেখে খারাপ লাগত। এখন অন্তত চেয়ারে বসে স্যারের সঙ্গে কথা বলা যায়।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জনপ্রতিনিধি বলেন—
“পিআইও অফিসের রুমগুলো খুব ছোট ছিল। বহুতল ভবন নির্মাণের ফলে এখন আমরা যথাযথভাবে কাজ করতে পারছি।”

পিরোজপুর থেকে আসা জাকির হোসেন বলেন—
“আগে গেট না থাকায় উপজেলা অফিস চিনতে সমস্যা হতো। এখন আধুনিক গেট হওয়ায় সহজেই অফিস চেনা যাচ্ছে।”

অন্যদিকে এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী জানান—
“বাউন্ডারি না থাকায় বাইরের গরু-ছাগল প্রবেশ করে গাছপালা নষ্ট করত। সীমানা প্রাচীর হলে আর এসব সমস্যা থাকবে না।”

কাজের মান নিয়ে আশ্বাস
উপ-সহকারী প্রকৌশলী বলেন—
“সচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে প্রতিটি কাজে শতভাগ গুণগত মান নিশ্চিত করা হচ্ছে। এস্টিমেট অনুযায়ী নির্মাণকাজ সম্পন্ন হচ্ছে এবং মান রক্ষা না করলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জানা যায়, গেট নির্মাণ করছেন পলাশ এন্টারপ্রাইজ, রাস্তা নির্মাণ কাজ করছেন মো. সাঈদুর রহমান ভূঁইয়া এবং সীমানা প্রাচীর নির্মাণের দায়িত্বে আছেন মিল্লক কনস্ট্রাকশনের জিরু শেখ।

উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে বদলে যাচ্ছে নড়াইল সদর উপজেলার অফিসপাড়ার দীর্ঘদিনের জীর্ণ দশা, আর সাধারণ সেবাগ্রহীতারা পাচ্ছেন একটি আধুনিক ও সুশৃঙ্খল প্রশাসনিক পরিবেশ।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park