1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
গাজীপুরে ফ্লাইওভারের নিচে ঘুমানো নিয়ে তর্কে একজন খুন - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

গাজীপুরে ফ্লাইওভারের নিচে ঘুমানো নিয়ে তর্কে একজন খুন

নড়াইলের কাগজ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৬ বার পঠিত

গাজীপুরের শ্রীপুরে উড়ালসেতুর নিচে ঘুমাতে গিয়ে তর্কাতর্কির জেরে এক যুবককে অপরজন ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন।

শনিবার (৯ আগস্ট) ভোর রাতে মাওনা চৌরাস্তা ফ্লাইওভারের নিচে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আব্দুল বারিক আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ছুরিকাঘাতে নিহত যুবক মো. জুয়েল রানার (২৫) বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলায়। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটককৃতরা হলেন রাকিব (২৫) ও রবিন (২৭)।

শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, জুয়েল নামের ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক আটক দুইজনের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে বলেন, আজ রাত ৩ টার দিকে মাওনা চৌরাস্তা এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ফ্লাইওভারের নিচে গল্প ছড়ার চা ঘর নামে একটি অস্থায়ী চায়ের দোকানের পাশে ঘুমাতে যান কয়েক যুবক। সেখানে পুরোনো ব্যানার-ফেস্টুন বিছানো নিয়ে জুয়েলের সঙ্গে রাকিব ও রবিনের তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে রাকিব উত্তেজিত হয়ে জুয়েলের বুকে ধারালো ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরো জানান, খবর পেয়ে মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় টহলরত পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার তিন ঘণ্টার মধ্যে দুজনকে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park