
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে বিভিন্ন স্থানে মন্দির পাহারা, পরিদর্শন সভায় মতবিনিময় করেছে বিএনপি, জামায়াতের নেতাকর্মীসহ আলেম-ওলামা ও শিক্ষার্থীরা। এ সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে রাতে হামলা লুট ও অগ্নিসংযোগ পরিহারের আহ্বান জানানো হয়। জানানো হয় আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে নেওয়া হবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা।
বুধবার (১৪ আগষ্ট) রাতে বিভিন্ন স্থানে মন্দির পাহারা পরিদর্শন করেন উপজেলা প্রশাসন৷
স্থানীয় সূত্রে যানা যায়, আ.লীগ সরকারের পতনের পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি, স্থাপনা ও উপাসনালয়ের ওপর যেন আক্রমণ না হয়৷ তারজন্য রাতভর জেগে দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় মন্দির, পাহারা দিয়ে আসছেন ছাত্র-জনতা। যেখানে রয়েছেন স্কুল-কলেজ ও কওমি মাদরাসাছাত্ররা। স্থানীয়রাও তাদের সহায়তা করছেন। এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করতে দেখা যাচ্ছে জামায়াত-শিবিরের ও হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আহমেদ সাব্বির সাজ্জাদ বলেন, আমাদের এ দেশ হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের, সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা করা আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব। যে কারণে জীবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও সকল সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা করব৷