
রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে উঠে আসা তরুণ নেতা সম রাকিবুজ্জামান পাপ্পু এখন নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তৃণমূল রাজনীতি থেকে গড়ে ওঠা এই নেতার দীর্ঘদিনের সক্রিয়তা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক ভূমিকা তাকে জেলা রাজনীতিতে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১/১১-পরবর্তী সময়ে জাতীয়তাবাদী আদর্শের রাজনীতিতে সক্রিয় কর্মী হিসেবে তার পথচলা শুরু। এরপর থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করে আসছেন তিনি। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে ছাত্রদলকে গতিশীল করতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
কালিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন পাপ্পু। তিনি আংশিক পনের সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় ঘোষিত কমিটিতে কারাগারে থেকেও ২০১৮ সালের ১৩ই জুন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। এবং কালিয়া পৌর ছাত্রদলের ২নং ওয়ার্ডের সাবেক ১নং সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তার বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, ১০ ডিসেম্বর কেন্দ্রিক কর্মসূচিতে নড়াইল জেলায় ছাত্রদলের একমাত্র কর্মী হিসেবে তিনি মামলার আসামি হয়ে কারাবরণ করেন। এছাড়া ২৮ অক্টোবরের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নড়াইল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ব্যতীত জেলা ও ইউনিটের ভেতর একমাত্র আসামি হন।
এ পর্যন্ত তিনি দুইবার গ্রেফতার হয়েছেন এবং মোট ১৯৫ দিন কারাবরণ করেছেন। বাবার সাথে একই হাতকড়া পরিয়ে নেওয়া হয়েছে কারাগারে।একই সঙ্গে সাতবার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও জানা গেছে। ফেরারি জীবনেও হরতাল, অবরোধ ও লিফলেট বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি।
তার বাবা কালিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় পিতা-পুত্র একসঙ্গে কারাবরণ করেছেন বলেও জানা গেছে।
জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা চললেও এখনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে পাপ্পু সাধারণ সম্পাদক পদে একজন শক্তিশালী প্রার্থী।