
ফাল্গুনের শুরুতেই বাড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরের ফ্রিজের ব্যবহারেও বাড়তি সতর্কতা জরুরি হয়ে পড়ে। সঠিকভাবে ফ্রিজের সেটিংস না বদলালে যেমন খাবার দ্রুত নষ্ট হতে পারে, তেমনি বেড়ে যেতে পারে বিদ্যুৎ বিলও। এমনকি অতিরিক্ত চাপে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ফ্রিজের কম্প্রেসর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের মৌসুমে ফ্রিজের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস ঠিক রাখলে সহজেই এসব সমস্যা এড়ানো সম্ভব।
১. তাপমাত্রা বা থার্মোস্ট্যাট সেটিং
গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজের কুলিং ক্ষমতা ঠিক রাখা জরুরি।
ম্যানুয়াল ফ্রিজে (১ থেকে ৫ নম্বর ডায়াল থাকলে) গরমের সময় সেটিংস সর্বোচ্চ নম্বরে বা ‘Coldest’ অপশনে রাখুন।
ডিজিটাল ফ্রিজে তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে দিন, যাতে ভেতরটা যথেষ্ট ঠান্ডা থাকে।
এতে বাইরের অতিরিক্ত তাপমাত্রার প্রভাব কম পড়ে এবং খাবার দীর্ঘদিন ভালো থাকে।
২. সঠিক বায়ু চলাচল বা ভেন্টিলেশন
ফ্রিজের ভেতরে ও বাইরে বাতাস চলাচল স্বাভাবিক না হলে কুলিং ব্যাহত হয়।
ভেতরের অংশে:
ফ্রিজের এয়ার ভেন্টের সামনে বড় পাত্র বা খাবার রাখবেন না। এতে ঠান্ডা বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়।
বাইরের অংশে:
ফ্রিজ দেয়াল থেকে অন্তত ১০ সেন্টিমিটার বা ৪ ইঞ্চি দূরে রাখুন। পেছনের তাপ বের হওয়ার জায়গা না থাকলে কম্প্রেসর অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি ফ্রিজের ওপরে ভারী কিছু রাখা থেকে বিরত থাকুন।
৩. নিয়মিত ডিফ্রস্ট করা
ফ্রিজে বরফ জমে গেলে কুলিং কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়।
যেসব ফ্রিজে অটো ডিফ্রস্ট নেই, সেগুলোতে নিয়মিত জমা বরফ পরিষ্কার করুন।
বরফের স্তর বেশি হলে ঠান্ডা কম হয় এবং ফ্রিজকে বেশি কাজ করতে হয়।
গরমের আগেই বরফ পরিষ্কার করলে ফ্রিজের কার্যক্ষমতা বজায় থাকে।