
বরিশালের হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের কুলচুরি চর এলাকায়, স্থানীয় ভূমিহীনদের সরকারের দেয়া বন্দোবস্ত জমির ধান জোর দখল করে কেটে নিয়েছে ভূমিদস্যু জসিম মোতাইত।
অভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের স্থানীয় ভূমিদস্যু গোসাইরহাট উপজেলা শ্রমিদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম মোতাইত ও একই উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়ন যুবদলের দুলাল মোতাইত বহিরাগত সহ আরো অনেকে মিলে স্থানীয় ভূমিহীনদের কষ্টের লাগানো ফসল জোরপূর্বক কেটে নিয়েছে। সোমবার সকালে কুলচুরি পাতারচর মৌজা এলাকায় এঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থলে হিজলা থানা পুলিশ আসলে ধান ফেলেই পালিয়ে যায় তারা। কেটে নেয়া ধান গুলি শরীয়তপুর জেলা সীমানায় ধানগুলি রাখা হয়। অভিযুক্ত মো.জসিম মোতাইত গোসাইরহাট উপজেলা শ্রমিদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও একই উপজেলা কুচাইপট্টি ইউনিয়নের যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি দুলা মোতাইত।
জানাগেছে , বাংলাদেশ সরকার ২০১২-১৩ সালে ৫১ জন ভূমিহীনদের মাঝে ১১০ একর জমি বন্দোবস্ত দেয়।
ভূমিহীন কৃষক মো.ইয়াসিন বলেন, এটা আমাদের বরিশাল জেলা সরকার আমাদেরকে বন্ধবস্ত দিয়েছে, আমরাই ধান চাষাবাদ করেছি। তাই আজ জমিতে ধান কাটতে আসলে জসিম মোতাইতের নেত্রীত্বে দেশীয় অস্ত্র লাঠিসুঠা নিয়ে ধান কাটায় আমাদের বাধা প্রদান করে ও আমাদের ধান নিয়ে যায়।
স্থানীয় ভূমিহীন, আবুল কাশেম মাদবরসহ আরো অনেকে বলেন, আমরা ধান লাগিয়েছি আজ ধান আমরা কাটতে আসছি কিন্তু শরীয়তপুরের দুলাল মোতাইত ও জসিম মোতাইতের লোকজন এসে আমাদের ধান নিয়ে গেছে।
স্থানীয় সালিশ ও গ্রাম মুরুব্বি নুরুল ইসলাম আকন জানান, সরকার গরীব অসহায় ভূমিহীন মানুষদের বন্ধবস্থ দিয়েছে তারা চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। কিন্তু আইনকে অমান্য করে এই জমিতে প্রবেশ করে ভূমিদস্যুরা জোরপূর্বক জমি ধান থাকা অবস্থায় কেটে নিয়ে যায়। আমাদের দাবি প্রকৃত ভূমিহীন যারা আছেন তারা যেন এই খাস জমিতে যেন তারাই চাষাবাদ করতে পারে
হিজলা থানা পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) শহিদুল জানান, ধান কেটে নেওয়া বিষয় অভিযোগ পেয়ে আমরা সরেজমিনে গিয়েছি। দুইপক্ষের লোকজন ও স্থানায়ীদেসহ কাগজপত্র নিয়ে আমরা বসে মিমাংশা করার । এছাড়াও মিমাংশা না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষের জমির ধান স্থানীয় গ্রাম পুলিশের জিম্মায় রাখা হয়েছে।