1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
ধানের গুদাম ও কাঠের কারখানা পুড়ে ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়ায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত, সচেতনতায় র‍্যালি চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: মাহ্দী আমিন পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদরাসা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: রফিক-আশরাফুলের উপস্থিতিতে জমকালো উদ্বোধন জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান: জাপানের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা রপ্তানির চাপে কারখানা, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবিকা শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ দিন আজ আজ থেকে কিংস অ্যারেনা ও আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমবে লড়াই পাঁচ হাজার নারীকে স্বাবলম্বী করেছেন লিপি, পাশে থাকার আশ্বাস ডিসির

ধানের গুদাম ও কাঠের কারখানা পুড়ে ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা

নড়াইলের কাগজ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৯ বার পঠিত

নড়াইল সদর ও যশোরের অভয়নগর উপজেলার সীমান্তবর্তী চাকই-মরিচা-ভবানীপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ধানভর্তি একটি গুদামঘর ও কাঠের কারুকাজের একটি কারখানা পুড়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, রাতের বেলায় বাজারের সব দোকান বন্ধ হয়ে গেলে হঠাৎ একটি দোকানঘরে আগুন লাগে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানে। এতে একটি ধানভর্তি গুদাম ও কাঠের কারুকাজের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

খবর পেয়ে নড়াইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে দোকানঘর ও ভিতরের সব মালামাল ছাই হয়ে যায়।

কাঠের কারুকাজের দোকানমালিক ইলাহি মোল্যা জানান, ‘আমার দোকানে কম্পিউটার, ফার্নিচার তৈরির মেশিন, সিএনসি রাউটার, কাঠ ও কাঠের তৈরি আসবাবপত্রসহ প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল ছিল—সব পুড়ে গেছে।’

ধান ব্যবসায়ী মাসুদ মোল্যা বলেন, ‘আমার গুদামে প্রায় ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকার ধান ছিল। কিছুই অবশিষ্ট নেই।’

দোকানঘর মালিক মাসুদ শেখ বলেন, ‘আমার ভবন ও টিনের ছাউনি সবই পুড়ে গেছে। অন্তত ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। শুধু আমি নই, ভাড়া নেওয়া ঘরগুলোর ব্যবসায়ীরাও সর্বস্ব হারিয়েছেন। কাঠের কারখানায় নিয়মিত ২০-৩০ জন কর্মচারী কাজ করত, তারাও বিপদে পড়েছেন।’

ব্যবসায়ীদের দাবি, দুইটি দোকান মিলিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আবেদন করলে নিয়ম অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া হবে।’

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park