
গোপালগঞ্জ পৌরসভার ২৫ বছর পুরনো পানি শোধনাগার কার্যক্ষমতা হারাতে বসেছে। ফলে প্রতিদিনের ৬০ মিলিয়ন লিটার পানির চাহিদার বিপরীতে পৌরবাসী পাচ্ছে মাত্র ১২-১৫ মিলিয়ন লিটার পানি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পৌরসভার প্রায় সব এলাকার বাসিন্দারা।
পানি সরবরাহ ঘাটতির বিষয়ে পৌরসভার প্রশাসক বিশ্বজিত কুমার পাল জানান, ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত শোধনাগারটির কার্যক্ষমতা দিন দিন কমে যাচ্ছে। নতুন ওয়ার্ডগুলোতে এখনও পাইপলাইন স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, “সমস্যা সমাধানে একটি প্রকল্প স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ডিপিপি আকারে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত সমস্যা সমাধান করা হবে।”
এদিকে, নিয়মিত বিল পরিশোধ করেও পানি না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন নাগরিকরা। কেউ কেউ টিউবওয়েল কিংবা পুকুরের পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকে বোতলের পানি কিনে খাওয়ার ও রান্নার কাজ চালাচ্ছেন।
নাগরিকরা বলছেন, “দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই সংকট শহরের জনজীবনকে পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে ফেলবে।” পরিস্থিতি মোকাবেলায় পৌরসভার কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।