1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
শালিখায় হু হু করে বাড়ছে ডাবের দাম - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়ায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত, সচেতনতায় র‍্যালি চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: মাহ্দী আমিন পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদরাসা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: রফিক-আশরাফুলের উপস্থিতিতে জমকালো উদ্বোধন জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান: জাপানের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা রপ্তানির চাপে কারখানা, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবিকা শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ দিন আজ আজ থেকে কিংস অ্যারেনা ও আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমবে লড়াই পাঁচ হাজার নারীকে স্বাবলম্বী করেছেন লিপি, পাশে থাকার আশ্বাস ডিসির

শালিখায় হু হু করে বাড়ছে ডাবের দাম

নড়াইলের কাগজ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
  • ৬৬ বার পঠিত

চলছে বৈশাখ মাস। একদিকে দাবদাহ, অন্যদিকে ভ্যাপসা গরম। প্রচণ্ড দাবদাহে হাঁপিয়ে উঠছে জনজীবন। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে মানুষ। আর এই গরমে হু হু করে বাড়ছে ডাবের দাম। ডাবের পানি যেন এখন বাঘের দুধ। স্বাভাবিকভাবে একটি ডাব ৩০ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হওয়ার কথা থাকলেও তা এখন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত যা স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ বেশি।

নারিকেল গাছ কমে যাওয়া, উৎপাদন হ্রাস, জন ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধিতে ডাবের দাম বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। এদিকে ডাবের দাম বেড়ে যাওয়ায় ফ্রিজের ক্ষতিকর কোমল পানি পান করে তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন তৃষ্ণার্ত মানুষ। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলা সদর আড়পাড়া বাজারের হাতে গোনা কয়েকটি জায়গায় দাঁড়িয়ে হাইয়ের পাশে ভ্যানে করে ডাব বিক্রি করছেন ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা যেখানে একটি ছোট সাইজের ডাব বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত। ডাবের দাম বেড়ে যাওয়ায় ডাবের দোকানে যেন চৈত্রের ভাটা।

কেউ কিনছেন, কেউ কেউ আবার দাম শুনেই চলে যাচ্ছেন। অনেকে আবার লেবু-বিট লবণ মিশ্রিত ঠান্ডা পানি পান করে মিটাচ্ছেন ডাবের চাহিদা।

এমনি একজন ক্রেতা আড়পাড়া ইউনিয়নের দিঘী জসীম উদ্দিন। তার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ডাবের যে দাম তাতে মন চাইলেও একটা ডাব কিনতে পারি না। অপর একজন ক্রেতা আকাশ মোল্যা বলেন, ডাব এখন বড়লোকের খাবার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর তাই ডাব না খেয়ে লেবু-বিট লবণের পানি পান করতেছি।

এটা ডাবের থেকে অনেক ভালো লাগতেছে। উপজেলা সদর আড়পাড়া বাজারের ডাব বিক্রেতা কাশেম বিশ্বাস বলেন, আগে যে ডাব কিনেছি ৩০-৪০ টাকা দিয়ে সে ডাব এখন কিনতে হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা দিয়ে। কয়েক মাস আগেও একশ ডাব কিনেছি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা দিয়ে যা এখন কিনতে হচ্ছে ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা দিয়ে পাশাপাশি ডাব পাড়ার জন্য জন খরচ, ডাব বহন করার জন্য বহন খরচ আগের থেকে বেড়েছে। এছাড়াও আগে যেরকম সচারাচার বিভিন্ন এলাকায় ডাব পাওয়া যেত এখন আগের মতো পাওয়া যায় না। ডাবের বেশ সংকট দেখা দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

অপর একজন ডাব বিক্রেতা জয়নাল কাজী জানান, আমি প্রতি সিজনেই সিজনাল ফল বিক্রি করি। অন্যান্য ফল মোটামুটি পাওয়া গেলেও ডাবের বেশ সংকট রয়েছে ডাব আগের মতো পাওয়া যায় না। আর যা পাওয়া যায় তা গৃহস্থরা বেশ চড়া দামে বিক্রি করে যার ফলে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয় তা না হলে ডাব থেকে কোনো লাভ হয় না।

বিদেশি ফলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশি ফলের দাম দিনদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল তাদের দাবি। দেশীয় ফলদ গাছের সংকট দেখা যাচ্ছে তাই প্রতিবছর সরকারি এবং বেসরকারিভাবে উদ্যোগ নিয়ে দেশীয় ফলদ গাছ রোপণ করার পাশাপাশি বাজার মনিটরিং জোরদার করতে হবে তা না হলে আগামী বছরগুলোতে দেশি ফলের দাম আরো অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park