1. narailerkagoj@gmail.com : admin :
  2. habibabrac1995@gmail.com : Delowar@1999 :
  3. kalamsarder3@gmail.com : Kalam Sarder : Kalam Sarder
  4. tajiburs.tr@gmail.com : tajiburnarail :
  5. tanjimsheikh.mail@gmail.com : tanjim Sheikh : tanjim Sheikh
কালিয়ায় হামলার ৯ দিন পর মারা গেলেন সেই চিকিৎসক - নড়াইলের কাগজ
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়ায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস পালিত, সচেতনতায় র‍্যালি চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: মাহ্দী আমিন পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলছে স্কুল-মাদরাসা এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ২০২৬: রফিক-আশরাফুলের উপস্থিতিতে জমকালো উদ্বোধন জিয়াউর রহমান থেকে তারেক রহমান: জাপানের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সম্ভাবনা রপ্তানির চাপে কারখানা, অনিশ্চয়তায় শ্রমিকদের জীবিকা শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ দিন আজ আজ থেকে কিংস অ্যারেনা ও আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমবে লড়াই পাঁচ হাজার নারীকে স্বাবলম্বী করেছেন লিপি, পাশে থাকার আশ্বাস ডিসির

কালিয়ায় হামলার ৯ দিন পর মারা গেলেন সেই চিকিৎসক

কাজী ইমরান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩ জুলাই, ২০২৪
  • ১৩৩ বার পঠিত

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী বাজার এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলার ৯ দিন পর সেই পল্লী চিকিৎসক রজিবুল ইসলাম মিঠু (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) দুপুরে ভুক্তভোগীর পরিবার সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ রবিউল ইসলাম বিপুলসহ তার লোকজন চিকিৎসক মিঠুকে তার চেম্বারে প্রবেশ করে গত ২২ জুন লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক মারধর করেন। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ জুন দুপুরে নিজেদের বাড়িতে মারা যান মিঠু। গত সোমবার (১ জুলাই) নড়াইল সদর হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে মিঠুকে দাফন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চাঁচুড়ী এলাকায় দুইপক্ষের দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছে। একটি পক্ষে নেতৃত্ব দেন রবিউল ইসলাম বিপুল এবং অপর পক্ষে শিবলী রোমান প্রিন্স। পল্লী চিকিৎসক প্রিন্সের পক্ষের লোক ছিলেন।

প্রিন্সের স্ত্রী ডালিয়া বেগম বলেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিপুল পক্ষের এক ব্যক্তি হত্যকাণ্ডের শিকার হন। এ ঘটনায় উদ্দেশ্যমূলক ভাবে আমার স্বামীকে আসামি করা হয়। এ মামলায় চার মাস কারাগারে থাকার পর গত ১৯ জুন জামিন পেয়ে বাড়িতে আসেন তিনি (মিঠু)। তিনদিন পর (২২ জুন) চাঁচুড়ী বাজারে নিজের চেম্বারে গেলে প্রতিপক্ষের বিপুল ও তার লোকজন মিঠুকে লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেধড়ক মারধর করেন। আহত হওয়ার পর প্রিন্সকে হাসপাতালে নিতেও বাধা দেওয়া হয়। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেন। হাসপাতালে নিতে না পারায় দু’দিন ধরে বাড়িতে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গত ২৫ জুন নড়াইল শহরের বেসরকারি ক্লিনিকে প্রিন্সকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখান থেকে বাড়িতে আনার পর গত ৩০ জুন দুপুরে মারা যান তিনি।

প্রিন্সের মেয়ে রওযা ইসলাম বলেন, আমার বাবাকে প্রতিপক্ষের বিপুলসহ তার লোকজন পিটিয়ে আহত করার নয়দিন পর মারা গেছেন। আমরা বাবা হত্যার বিচার চাই। এখন প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের বিভিন্ন ধরণের হুমকি দিচ্ছে। আমরা যেন মামলা না করি।

প্রতিবেশিরা জানান, পল্লী চিকিৎসক মিঠুকে নির্মম ভাবে মারধর করার পর অসুস্থ অবস্থায় মারা গেছেন তিনি।

অভিযুক্ত রবিউল ইসলাম বিপুলের সাথে বিভিন্নভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শামীম উদ্দিন বলেন, থানায় একটি অপমৃত্য মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
  • © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ নড়াইলের কাগজ
পরিক্ষামূলক সম্প্রচার
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park