প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ৩০, ২০২৬, ৬:৩৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ৩০, ২০২৬, ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ
তাইজুলের ফাইফারের পরেও জিম্বাবুয়ের ২৭০ রানের লিড

অভিজ্ঞতার দামটা যেন আরও একবার হাতেনাতে দেখিয়ে দিলেন তাইজুল ইসলাম। দলের অন্য বোলাররা যেখানে নিজেদের খুঁজে ফিরছিলেন, সেখানে একাই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেন এই বাঁহাতি স্পিনার। ৭ উইকেটের দাপুটে স্পেলে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপকে একাই গুঁড়িয়ে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২৭০ রানের লিড নিয়ে স্বাগতিকদের ইনিংস থামে ৪১০ রানে।
হারারে টেস্টে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়ে টাইগাররা। শেষ ২৭ রান করতে গিয়ে ৮ উইকেট হারালে ১৪০ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। জবাবে শুরু থেকেই দাপট দেখিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ম্যাচের প্রথম দিনে এক উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান তুলে স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশকে পাত্তাই দেয়নি স্বাগতিকরা। দিনের শুরুতে খালেদ এক উইকেট নিলেও বাকি সময় কেবল রান বিলিয়েছে বাংলাদেশ। তাতে মধ্যাহ্নভোজ বিরতির আগে দুই উইকেটে ২৪৯ রান তুলে জিম্বাবুয়ে। দলটির ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন।
দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে ফেরান তাইজুল ইসলাম। এরপর শতক হাঁকানো ইনোসেন্ট কাইয়াকেও বিদায় করেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। ২২৭ বলে ১৪০ রান করে দলকে দারুণ অবস্থানে রেখে গেছেন কাইয়া। এরপর রান আউটে তাফাদজওয়া টিসিগাকে হারায় জিম্বাবুয়ে। তাতে ৩৫০ রানের সংগ্রহ নিয়ে চা বিরতিতে যায় জিম্বাবুয়ে।
সম্পাদক : মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী
কার্যালয়: চৌধুরী বাড়ী, শুড়িগাতী, নড়াগাতী, কালিয়া, নড়াইল।
যোগাযোগ: ০১৭১১৩৩২১২২
নড়াইলের কাগজ