মোঃ বাবর আলী:
নড়াইল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ সাংবাদিক এ.এ.এম আওহাদের মৃত্যুতে নড়াইলজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জেলার সাংবাদিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ।
কালিয়া পৌরসভার চাঁদপুর গ্রামের মৃত আতাহার মুন্সির ছেলে এ.এ.এম আওহাদ দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় নিজ বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সাংবাদিকতা পেশায় তিনি ছিলেন অত্যন্ত সৎ, সাহসী ও দায়িত্বশীল একজন মানুষ। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতা করে তিনি নড়াইলের গণমাধ্যম অঙ্গনে বিশেষ সম্মান অর্জন করেন। একইসঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।
সহকর্মীরা জানান, এ.এ.এম আওহাদ ছিলেন নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য একজন অভিভাবকতুল্য ব্যক্তিত্ব। তাঁর অভিজ্ঞতা, পরামর্শ ও আন্তরিকতা সবসময় সাংবাদিক সমাজকে অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁর মৃত্যুতে নড়াইলের সাংবাদিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর একমাত্র পুত্র ফরহাদ হোসেন ৩৬তম বিসিএসের আনসার ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং কন্যা একজন ব্যাংকার।
নড়াইল প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
সম্পাদক : মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী
কার্যালয়: চৌধুরী বাড়ী, শুড়িগাতী, নড়াগাতী, কালিয়া, নড়াইল।
যোগাযোগ: ০১৭১১৩৩২১২২
নড়াইলের কাগজ